বিএনপি ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণাকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “এই উদ্যোগ দেশে চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করবে। ফখরুল বলেন, “দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে মানুষ ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে এবং বিএনপি সেই লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়েছে।” তিনি বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ভোটাধিকার হরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ, অর্থনৈতিক লুটপাট, এবং বিরোধী নেতাদের দমন-পীড়নের অভিযোগ আনেন।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়াকে বছরের পর বছর কারাবন্দী রাখা হয়, তারেক রহমানসহ শীর্ষ নেতাদের সাজানো মামলায় দণ্ড দেওয়া হয়, কিন্তু বিএনপি দমন হয়নি। বরং নেতৃত্বশূন্য করার চেষ্টার পরও তারেক রহমানের নেতৃত্বে দল সংগঠিত রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের ঘোষণার প্রশংসা করে বিএনপি বলেছে, এই অঙ্গীকার যদি সত্যিই বাস্তবায়িত হয়, তবে তা একটি প্রগতিশীল ও মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণের পথে বড় পদক্ষেপ হবে।

অনলাইন ডেস্ক