প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫ । ৫:১৩ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সার বিতরণে বিলম্ব নয়, প্রয়োজন সময়নিষ্ঠা

নাসিফ জামান

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন, কৃষি খাত টিকিয়ে রাখতে সরকার সার খাতে প্রায় ৩০০% ভর্তুকি প্রদান করছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি স্থানীয় উৎপাদন ব্যাহত হয়, তাহলে বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে, যা আরও বেশি ব্যয়বহুল হবে।

তিনি জানান, “কৃষির সঙ্গে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত কৃষি বিভাগের লোকবল রয়েছে। চুয়াডাঙ্গায় জমির প্রতিটি ইঞ্চি আবাদে ব্যবহৃত হয়, ফলে সার চাহিদাও এখানে তুলনামূলক বেশি।” জেলা প্রশাসক বলেন, “কৃষকদের সার যথাসময়ে পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা আমাদের অঙ্গীকার। এজন্য সার ও বীজ মনিটরিং কমিটিকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে।”

কৃষকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “সার বেশি দিলেই উৎপাদন বাড়ে—এ ধারণা ভুল। বরং অতিরিক্ত সার ব্যবহারে জমির উর্বরতা নষ্ট হয়। সঠিক প্রয়োজনে, সঠিক মাত্রায় সার ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।”

সভায় জানানো হয়, আগস্ট মাসে ইউরিয়া সারের বরাদ্দ ছিল ৪,৫৩৩ মেট্রিক টন। এর মধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে ১,০৩১ মেট্রিক টন। পূর্বের মাসের বরাদ্দ থেকে উত্তোলন হয়েছে ৩৩১ মেট্রিক টন। অনুত্তোলিত রয়েছে ৩,৫০২ মেট্রিক টন এবং বর্তমানে মজুদ আছে ৩,৯৬৩ মেট্রিক টন। এছাড়া টিএসপি মজুদ আছে ৬২৭ মেট্রিক টন, এমওপি ১,৪২৪ মেট্রিক টন এবং ডিএপি ১,৩০৬ মেট্রিক টন।

সভায় মৃত্যুজনিত কারণে বিএডিসির নিবন্ধিত সার ডিলারের মালিকানা পরিবর্তন এবং নতুন ডিলার নিয়োগ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেহানা পারভীন, জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) অভিজিত কুমার বিশ্বাস, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির সুবেদার মহিদুল ইসলাম, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহিদুল ইসলামসহ জেলার সার ডিলাররা।

প্রিন্ট করুন