দর্শনা হল্ট স্টেশনে সুন্দরবন এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি
দর্শনা হল্ট রেলওয়ে স্টেশনে অবশেষে খুলনা-ঢাকাগামী ৭২৫ নম্বর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ধরে দর্শনাবাসীর প্রাণের দাবি পূরণ হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।
রেল মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গত রবিবার জারি করা এক অফিস আদেশে জানানো হয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহা-পরিচালকের মতামতের ভিত্তিতে সুন্দরবন এক্সপ্রেসের আপ ট্রেন প্রতিদিন দর্শনা হল্ট স্টেশনে ২ (দুই) মিনিটের জন্য থামবে। এ সিদ্ধান্ত দ্রুত কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দর্শনা বাংলাদেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তনগরী। এখানকার হাজার হাজার যাত্রী প্রতিদিন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু এতদিন সুন্দরবন এক্সপ্রেসের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হতো। নিকটবর্তী আলমডাঙ্গা কিংবা চুয়াডাঙ্গা স্টেশন থেকে যাত্রীদের উঠানামা করতে হতো, যা সময়, অর্থ এবং ভোগান্তি বাড়াত।
স্থানীয়রা জানান, সুন্দরবন এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি চালু হলে দর্শনার মানুষ সরাসরি ঢাকার সঙ্গে আরও সহজে যুক্ত হতে পারবেন। বিশেষ করে ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাজে রাজধানীতে যাতায়াতকারীরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।
এ সিদ্ধান্তকে এলাকাবাসী সরকারের উন্নয়নমূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এই যাত্রাবিরতি কেবল দর্শনার মানুষেরই নয়, বরং সীমান্তবর্তী পুরো অঞ্চলের যাত্রীদের ভ্রমণকে আরামদায়ক ও সাশ্রয়ী করে তুলবে।
দীর্ঘ আন্দোলন ও দাবি-দাওয়ার পর অবশেষে অনুমোদন পাওয়ায় দর্শনাবাসী আনন্দ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়রা আশা করছেন, ভবিষ্যতে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতিও এই স্টেশনে নিশ্চিত করা হবে।















