শিরোনাম:

রাজনীতি থেকে শিক্ষাঙ্গন: হানিফের কৌশলে টিকে থাকা আধিপত্য

রাজনীতি থেকে শিক্ষাঙ্গন: হানিফের কৌশলে টিকে থাকা আধিপত্য

দেশের বেসরকারি উচ্চশিক্ষা খাতে নানা বিতর্কের মধ্যে আলোচনায় আসে ‘লালন বিজ্ঞান ও কলা বিশ্ববিদ্যালয়’। ২০২৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদন নেওয়া হয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফের উদ্যোগে। অভিযোগ রয়েছে, কুষ্টিয়ার হাউজিং স্টেটের ৬ ও ৭ নম্বর প্লটকে ঠিকানা দেখিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে অনুমোদন নেওয়া হলেও বাস্তবে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্তিত্ব ছিল না। সে সময় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন হানিফের স্ত্রী ফৌজিয়া আলম এবং হানিফ নিজেও বোর্ডের সদস্য হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

রাজনৈতিক পরিস্থিতির পট পরিবর্তনের পর হানিফ দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। পালিয়ে থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় চালুর প্রচেষ্টা তিনি বন্ধ করেননি। কলকাতায় বসেই ট্রাস্টি বোর্ডে পরিবর্তন আনা হয় এবং নতুন করে কার্যক্রম শুরু হয়। ২০২৪ সালের নভেম্বরে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান হালিমুজ্জামান, যিনি পূর্বে ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন এবং হানিফের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। তখনই বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের তথ্যমতে, গত বছর নভেম্বরে শিক্ষক-শিক্ষকতা কার্যক্রম শুরুর পরপরই নিয়োগ দেওয়া হয় ২৪ জন শিক্ষক এবং ৩৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হয় ভর্তি কার্যক্রম। পাঁচটি বিভাগে প্রতিটি বিভাগে সর্বোচ্চ ৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি রয়েছে। চলতি বছরের জুলাইয়ের মধ্যে ১০১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে পরিবর্তন আনলেও ট্রাস্টি বোর্ডে আগের বেশ কয়েকজন সদস্য বহাল রয়েছেন। তাদের মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক সেলিম তোহা, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক শাহিনুর রহমান, গার্মেন্ট মালিক আব্দুল মান্নান এবং আর্কিটেক্ট তারিক হাসান অন্যতম। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রভাবশালী কয়েকজনকে বাদ দিয়ে বোর্ডটিকে নিজের আয়ত্তে রেখেছেন হানিফ, এমন অভিযোগও রয়েছে।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ প্রসঙ্গেও নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, তিন সদস্যের একটি প্যানেল মঞ্জুরি কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম নামটি হলো জিয়া পরিষদের সভাপতি এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ফারুকুজ্জামানের। বাকি দুজনও ইবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান এবং শরিফুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদনের শুরু থেকেই অনিয়মের অভিযোগ ছিল। প্রথমে অনুমোদন নেওয়া হয় হানিফের ভাই আতাউর রহমান আতার নির্মাণাধীন ভবনের ঠিকানা ব্যবহার করে। পরে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান শুরুর পর ওই ভবন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলা হয়। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের নির্মাণাধীন ভবনের ডিজাইন পরিবর্তন করে অবৈধভাবে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম শুরু করা হয়। বর্তমান জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তৎকালীন চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম অবৈধভাবে মাসিক তিন লাখ টাকায় ওই ভবন ভাড়া দিয়েছিলেন।

ট্রাস্টি বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান হালিমুজ্জামান অবশ্য দাবি করেছেন, এখনকার কার্যক্রমের সঙ্গে হানিফ বা তার পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই। নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়মতান্ত্রিক পথে পরিচালিত করার চেষ্টা চলছে।

প্রফেশনাল গাইড: ল্যাপটপ ও পিসি কেনার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলবেন না

রাজনীতি থেকে শিক্ষাঙ্গন: হানিফের কৌশলে টিকে থাকা আধিপত্য

প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে, আর সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আমাদের কাজের পরিধি। আপনি শিক্ষার্থী হোন কিংবা পেশাদার ডেভলপার, সঠিক ডিভাইসের অভাব আপনার ক্যারিয়ারের গতি কমিয়ে দিতে পারে। বাংলাদেশের টেক মার্কেটে জেনুইন ইমপোর্টারদের হাত ধরে এখন গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড ডিভাইসগুলো হাতের নাগালে।

পারফরম্যান্সের মাপকাঠি: সঠিক কনফিগারেশন নির্বাচন

ডিভাইস কেনার সময় আমরা প্রায়ই প্রসেসর নিয়ে দ্বিধায় পড়ি। বাজারের বর্তমান ট্রেন্ড অনুযায়ী:

  • এন্ট্রি লেভেল: সাধারণ ব্রাউজিং বা স্টুডেন্টদের জন্য Core i3 laptop সবচেয়ে ভালো অপশন।
  • মিড-রেঞ্জ: ফ্রিল্যান্সিং বা ভারি অফিশিয়াল কাজের জন্য Core i5 laptop ব্যালেন্সড পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।
  • পাওয়ার ইউজার: যারা ভিডিও এডিটিং বা বড় প্রজেক্টে কাজ করেন, তাদের জন্য Core i7 laptop এর কোনো বিকল্প নেই।

ল্যাপটপ নাকি ডেস্কটপ: কোনটি আপনার জন্য?

যদি আপনার কাজের জন্য মুভমেন্টের প্রয়োজন হয়, তবে ল্যাপটপই সেরা। সেক্ষেত্রে Lenovo laptop অথবা স্টাইলিশ HP laptop কালেকশন দেখতে পারেন। বাজেটের মধ্যে প্রিমিয়াম ফিল পেতে Lenovo IdeaPad এবং আধুনিক ফিচারের জন্য Asus laptop দারুণ অপশন।

অন্যদিকে, যারা দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে কাজ করেন, তাদের জন্য ডেস্কটপ সাশ্রয়ী এবং পাওয়ারফুল। ব্র্যান্ডেড পিসির মধ্যে Dell desktop এবং HP desktop করপোরেট লেভেলে দারুণ সমাদৃত। তবে টেবিলের সৌন্দর্য বজায় রাখতে চাইলে HP All-in-One PC হতে পারে আপনার স্মার্ট চয়েস।

গেমিংয়ে নতুন মাত্রা: সেরা ডিল

বর্তমানে গেমারদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে হাই-রিফ্রেশ রেট সম্পন্ন ডিসপ্লে এবং শক্তিশালী জিপিইউ। আপনি যদি লেটেস্ট ট্রিপল-এ গেমগুলো অনায়াসে খেলতে চান, তবে Gaming laptop যাচাই করে দেখা বুদ্ধিমানের কাজ। এই ক্যাটাগরিতে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে Lenovo LOQ, যা পারফরম্যান্স এবং দামের এক চমৎকার সমন্বয়।

বিশ্বস্ততার সাথে সেরা বাজেট ডিল

আপনার কষ্টার্জিত টাকার সঠিক মূল্যায়ন পেতে সঠিক শপ নির্বাচন করা জরুরি। অনেকেই অনলাইনে Budget laptop সার্চ করে ধোঁকায় পড়েন। এক্ষেত্রে ASES Tech সরাসরি ইমপোর্ট করা অরিজিনাল ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ পিসি নিশ্চিত করছে, যা আপনাকে দেবে মানসিক প্রশান্তি ও দীর্ঘস্থায়ী সার্ভিস।

আলমডাঙ্গায় একসাথে ৩ সন্তানের জন্ম

রাজনীতি থেকে শিক্ষাঙ্গন: হানিফের কৌশলে টিকে থাকা আধিপত্য

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বকশীপুর গ্রামে বিরল এক আনন্দঘন ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দা সাহাবুল ইসলামের মেয়ে মারুফা খাতুন একসাথে তিনটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন—এক পুত্র ও দুই কন্যা। আজ বিকেলে আলমডাঙ্গা শহরের ফাতেমা ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে এই তিন নবজাতকের জন্ম হয়।

চিকিৎসক দল জানায়, মা ও নবজাতকরা বর্তমানে সুস্থ আছেন। তবে তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে যেন জন্ম-পরবর্তী সময়ে কোনো জটিলতা দেখা না দেয়। তিন সন্তানের একসাথে জন্মের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা পরিবারটির খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় করছেন ক্লিনিক প্রাঙ্গণে।

জানা যায়, দুই বছর আগে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার মিন্টু শেখের সাথে মারুফার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তারা সুখে-শান্তিতে সংসার করছিলেন। আজকের এই আনন্দঘন মুহূর্তে তিন সন্তানের জনক মিন্টু শেখ বলেন, “আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার স্ত্রী ও সন্তানরা ভালো আছে। আমি সবার কাছে দোয়া চাই যেন আল্লাহ আমার সন্তানদের সুস্থ রাখেন এবং নেক আমলদার বানান।”

গ্রামজুড়ে এখন আলোচনার বিষয় একটাই—একসাথে তিন সন্তানের আগমন। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা এই নবজন্মকে আল্লাহর বিশেষ আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন। অনেকে বলেন, এটি একদিকে যেমন এক অসাধারণ খুশির খবর, তেমনি ভবিষ্যতে শিশুদের লালন-পালনে সমাজের সহযোগিতাও প্রয়োজন হবে।

সবার মুখে এখন একটাই কথা—“আল্লাহ যেন মারুফা ও তার সন্তানদের সুস্থ, সুন্দর ও বরকতময় জীবন দান করেন।”

ফিলিস্তিন ইসরাইলি

ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলার দুই বছরে নিহত ৬৭ হাজার ছাড়িয়েছে

রাজনীতি থেকে শিক্ষাঙ্গন: হানিফের কৌশলে টিকে থাকা আধিপত্য

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের দুই বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক আক্রমণের জবাবে শুরু হওয়া ইসরাইলের পাল্টা অভিযানে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। নারী ও শিশুদের বড় অংশ এই নিহতদের মধ্যে রয়েছে। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও ইসরাইলি দখলদার বাহিনীর নির্বিচার হামলায় গাজা আজ পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে, যেখানে খাদ্য, ওষুধ ও আশ্রয়ের মারাত্মক সংকটে দিন কাটছে বেঁচে থাকা মানুষদের।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক অভিযানের পরই ইসরাইল গাজা উপত্যকায় সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করে। ‘হামাস নির্মূলের অভিযান’ নামে টানা দুই বছর ধরে চলে ভয়াবহ বোমাবর্ষণ, অবরোধ ও হত্যাযজ্ঞ। এতে গাজার অবকাঠামো, হাসপাতাল, স্কুল, এমনকি জাতিসংঘ পরিচালিত আশ্রয়কেন্দ্রও ধ্বংস হয়ে গেছে। মানবিক সহায়তা কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে, যার ফলে কয়েক লাখ মানুষ তীব্র ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে ভুগছে।

চাথাম হাউসের রাজনৈতিক বিশ্লেষক সানাম ভাকিল বলেন, “দুই বছর ধরে গাজায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। কিন্তু তারা আসলে কী অর্জন করেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। যদিও হামাসসহ ইরান-সমর্থিত প্রতিরোধ নেটওয়ার্ক কিছুটা দুর্বল হয়েছে, তবুও আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিকভাবে তেল আবিব অভূতপূর্বভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।”

অন্যদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিবেদনে গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে ‘জাতিগত নিধন’ (Genocide) হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং তাদের জীবিকা ও অস্তিত্বের পরিবেশ ধ্বংস করেছে—যা জাতিগত নিধনের সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে যায়।

সানাম ভাকিল আরও বলেন, “গাজায় গণহত্যার চূড়ান্ত রূপ ফুটে উঠেছে ইসরাইলের কর্মকাণ্ডে। তারা এমন জীবনযাত্রা চাপিয়ে দিয়েছে, যা ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি।”

এদিকে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সোমবার (৬ অক্টোবর) ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত গাজা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়, পুতিন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইনগত কাঠামোর ভিত্তিতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে রাশিয়ার দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

অন্যদিকে, প্রায় এক সপ্তাহ পর ২৯ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে নেতানিয়াহুর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা যুদ্ধ বন্ধে ২০ দফা শান্তি প্রস্তাব ঘোষণা করেন। প্রস্তাবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, গাজার পুনর্গঠন, এবং আটক ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তির বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

হামাসের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের এই উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া দেওয়া হয়, যা বিশ্বব্যাপী স্বাগত পেয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনও এই পরিকল্পনার প্রশংসা করে বলেছেন, “যেকোনো মানবিক সমাধানই গাজায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে।”

দুই বছর পরও গাজার আকাশে এখনও যুদ্ধবিমান উড়ছে, ধ্বংসস্তূপে পড়ে আছে হাজারো দেহ, এবং বিশ্ববিবেকের কাছে প্রশ্ন জাগছে—ফিলিস্তিনের এই অবরুদ্ধ ভূমিতে মানবতার মুক্তি কবে আসবে?