আলমডাঙ্গা ব্যামাগার
আলমডাঙ্গা ব্যামাগারের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম ইসলাম খানের ২৩তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ
আজ ৯ আগস্ট, আলমডাঙ্গা ব্যামাগারের প্রতিষ্ঠাতা, জননন্দিত সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মরহুম ইসলাম খানের ২৩তম শাহাদাত বার্ষিকী। দুই দশকেরও বেশি সময় আগে যে মানুষটি নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে সত্য, ন্যায় ও মানুষের অধিকার রক্ষার পথে অটল ছিলেন, তাঁকে আজও কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছে আলমডাঙ্গার মানুষ। মরহুম ইসলাম খান জন্মগ্রহণ করেন চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার এক সৎ, ধর্মপ্রাণ ও শিক্ষাপ্রেমী পরিবারে। শৈশব থেকেই তিনি সততা, দায়িত্ববোধ ও সমাজের জন্য কিছু করার মানসিকতা নিয়ে বেড়ে ওঠেন। তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয় স্থানীয় বিদ্যালয়ে, যেখানে তিনি শুধু পড়াশোনায় নয়, সহপাঠীদের সহযোগিতা ও নেতৃত্বের গুণাবলীতেও সবার নজরে আসেন। উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর ইসলাম খান তাঁর জন্মভূমির উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, একটি সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষা ও সংগঠন দুটি প্রধান চালিকাশক্তি। এই উপলব্ধি থেকেই তিনি গড়ে তোলেন | আলমডাঙ্গা ব্যামাগার—একটি প্রতিষ্ঠান যা শিক্ষা, সামাজিক ঐক্য, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গ্রামীণ উন্নয়নের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ব্যামাগার শুধু একটি সংগঠন নয়—এটি ছিল এক সামাজিক আন্দোলনের সূচনা। ইসলাম খানের লক্ষ্য ছিল,
-
গ্রামের যুবসমাজকে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে দূরে রাখা।
-
গ্রামীণ শিক্ষাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা।
-
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তরুণদের সৃজনশীলতায় উদ্বুদ্ধ করা।
-
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়া।
তাঁর নেতৃত্বে ব্যামাগার অল্প সময়ের মধ্যেই এলাকায় একটি শক্তিশালী, সুনামধন্য ও গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠে।















