শিরোনাম:

চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি। এ উপলক্ষে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

দিনের কর্মসূচি শুরু হয় সূর্যোদয়ের সাথে সাথে চুয়াডাঙ্গা সাহিত্য পরিষদ চত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাহিত্য পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে শহরের প্রধান সড়কগুলো ঘুরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি সরকারি কলেজ রোড, কবরী রোড, পৌরসভা মোড়, শহিদ হাসান চত্বর চৌরাস্তা মোড়, কোর্ট মোড় হয়ে দোয়েল চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সাহিত্য পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় জেলার বিভিন্ন ইউনিট থেকে হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

পরে বেলা সাড়ে ১১টায় সাহিত্য পরিষদ চত্বরে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির উপকোষাধ্যক্ষ মাহমুদ হাসান খান বাবু। তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও সেই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা ফরিদুল ইসলাম শিপলু ও সফিকুল ইসলাম পিটু। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন দর্শনা থানা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খাজা আবুল হাসনাত, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম নজু, জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আখতার হোসেন জোয়ার্দার, পৌর সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টুসহ বিভিন্ন ইউনিটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া জেলা শ্রমিক দল, মহিলা দল, যুবদল, কৃষক দল, মৎস্যজীবী দল, জাসাস, আইনজীবী ফোরাম ও ওলামা দলের নেতৃবৃন্দও সভায় অংশ নেন। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহজাহান খান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জুয়েল মাহমুদসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বিএনপির ঐতিহ্য, সংগ্রামী ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা দাবি করেন, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপি সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ। তারা সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

দিনব্যাপী এ কর্মসূচি উপলক্ষে পুরো চুয়াডাঙ্গা শহরজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। নানা শ্লোগান ও ব্যানার-ফেস্টুনে শহর সেজে ওঠে নীল-লাল রঙে, যা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

প্রফেশনাল গাইড: ল্যাপটপ ও পিসি কেনার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো এড়িয়ে চলবেন না

চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে, আর সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আমাদের কাজের পরিধি। আপনি শিক্ষার্থী হোন কিংবা পেশাদার ডেভলপার, সঠিক ডিভাইসের অভাব আপনার ক্যারিয়ারের গতি কমিয়ে দিতে পারে। বাংলাদেশের টেক মার্কেটে জেনুইন ইমপোর্টারদের হাত ধরে এখন গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড ডিভাইসগুলো হাতের নাগালে।

পারফরম্যান্সের মাপকাঠি: সঠিক কনফিগারেশন নির্বাচন

ডিভাইস কেনার সময় আমরা প্রায়ই প্রসেসর নিয়ে দ্বিধায় পড়ি। বাজারের বর্তমান ট্রেন্ড অনুযায়ী:

  • এন্ট্রি লেভেল: সাধারণ ব্রাউজিং বা স্টুডেন্টদের জন্য Core i3 laptop সবচেয়ে ভালো অপশন।
  • মিড-রেঞ্জ: ফ্রিল্যান্সিং বা ভারি অফিশিয়াল কাজের জন্য Core i5 laptop ব্যালেন্সড পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।
  • পাওয়ার ইউজার: যারা ভিডিও এডিটিং বা বড় প্রজেক্টে কাজ করেন, তাদের জন্য Core i7 laptop এর কোনো বিকল্প নেই।

ল্যাপটপ নাকি ডেস্কটপ: কোনটি আপনার জন্য?

যদি আপনার কাজের জন্য মুভমেন্টের প্রয়োজন হয়, তবে ল্যাপটপই সেরা। সেক্ষেত্রে Lenovo laptop অথবা স্টাইলিশ HP laptop কালেকশন দেখতে পারেন। বাজেটের মধ্যে প্রিমিয়াম ফিল পেতে Lenovo IdeaPad এবং আধুনিক ফিচারের জন্য Asus laptop দারুণ অপশন।

অন্যদিকে, যারা দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে কাজ করেন, তাদের জন্য ডেস্কটপ সাশ্রয়ী এবং পাওয়ারফুল। ব্র্যান্ডেড পিসির মধ্যে Dell desktop এবং HP desktop করপোরেট লেভেলে দারুণ সমাদৃত। তবে টেবিলের সৌন্দর্য বজায় রাখতে চাইলে HP All-in-One PC হতে পারে আপনার স্মার্ট চয়েস।

গেমিংয়ে নতুন মাত্রা: সেরা ডিল

বর্তমানে গেমারদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে হাই-রিফ্রেশ রেট সম্পন্ন ডিসপ্লে এবং শক্তিশালী জিপিইউ। আপনি যদি লেটেস্ট ট্রিপল-এ গেমগুলো অনায়াসে খেলতে চান, তবে Gaming laptop যাচাই করে দেখা বুদ্ধিমানের কাজ। এই ক্যাটাগরিতে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে Lenovo LOQ, যা পারফরম্যান্স এবং দামের এক চমৎকার সমন্বয়।

বিশ্বস্ততার সাথে সেরা বাজেট ডিল

আপনার কষ্টার্জিত টাকার সঠিক মূল্যায়ন পেতে সঠিক শপ নির্বাচন করা জরুরি। অনেকেই অনলাইনে Budget laptop সার্চ করে ধোঁকায় পড়েন। এক্ষেত্রে ASES Tech সরাসরি ইমপোর্ট করা অরিজিনাল ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ পিসি নিশ্চিত করছে, যা আপনাকে দেবে মানসিক প্রশান্তি ও দীর্ঘস্থায়ী সার্ভিস।

আলমডাঙ্গায় একসাথে ৩ সন্তানের জন্ম

চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বকশীপুর গ্রামে বিরল এক আনন্দঘন ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দা সাহাবুল ইসলামের মেয়ে মারুফা খাতুন একসাথে তিনটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন—এক পুত্র ও দুই কন্যা। আজ বিকেলে আলমডাঙ্গা শহরের ফাতেমা ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে এই তিন নবজাতকের জন্ম হয়।

চিকিৎসক দল জানায়, মা ও নবজাতকরা বর্তমানে সুস্থ আছেন। তবে তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে যেন জন্ম-পরবর্তী সময়ে কোনো জটিলতা দেখা না দেয়। তিন সন্তানের একসাথে জন্মের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা পরিবারটির খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় করছেন ক্লিনিক প্রাঙ্গণে।

জানা যায়, দুই বছর আগে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার মিন্টু শেখের সাথে মারুফার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তারা সুখে-শান্তিতে সংসার করছিলেন। আজকের এই আনন্দঘন মুহূর্তে তিন সন্তানের জনক মিন্টু শেখ বলেন, “আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার স্ত্রী ও সন্তানরা ভালো আছে। আমি সবার কাছে দোয়া চাই যেন আল্লাহ আমার সন্তানদের সুস্থ রাখেন এবং নেক আমলদার বানান।”

গ্রামজুড়ে এখন আলোচনার বিষয় একটাই—একসাথে তিন সন্তানের আগমন। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা এই নবজন্মকে আল্লাহর বিশেষ আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন। অনেকে বলেন, এটি একদিকে যেমন এক অসাধারণ খুশির খবর, তেমনি ভবিষ্যতে শিশুদের লালন-পালনে সমাজের সহযোগিতাও প্রয়োজন হবে।

সবার মুখে এখন একটাই কথা—“আল্লাহ যেন মারুফা ও তার সন্তানদের সুস্থ, সুন্দর ও বরকতময় জীবন দান করেন।”

ফিলিস্তিন ইসরাইলি

ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলার দুই বছরে নিহত ৬৭ হাজার ছাড়িয়েছে

চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের দুই বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক আক্রমণের জবাবে শুরু হওয়া ইসরাইলের পাল্টা অভিযানে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। নারী ও শিশুদের বড় অংশ এই নিহতদের মধ্যে রয়েছে। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও ইসরাইলি দখলদার বাহিনীর নির্বিচার হামলায় গাজা আজ পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে, যেখানে খাদ্য, ওষুধ ও আশ্রয়ের মারাত্মক সংকটে দিন কাটছে বেঁচে থাকা মানুষদের।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক অভিযানের পরই ইসরাইল গাজা উপত্যকায় সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করে। ‘হামাস নির্মূলের অভিযান’ নামে টানা দুই বছর ধরে চলে ভয়াবহ বোমাবর্ষণ, অবরোধ ও হত্যাযজ্ঞ। এতে গাজার অবকাঠামো, হাসপাতাল, স্কুল, এমনকি জাতিসংঘ পরিচালিত আশ্রয়কেন্দ্রও ধ্বংস হয়ে গেছে। মানবিক সহায়তা কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে, যার ফলে কয়েক লাখ মানুষ তীব্র ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে ভুগছে।

চাথাম হাউসের রাজনৈতিক বিশ্লেষক সানাম ভাকিল বলেন, “দুই বছর ধরে গাজায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। কিন্তু তারা আসলে কী অর্জন করেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। যদিও হামাসসহ ইরান-সমর্থিত প্রতিরোধ নেটওয়ার্ক কিছুটা দুর্বল হয়েছে, তবুও আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিকভাবে তেল আবিব অভূতপূর্বভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।”

অন্যদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিবেদনে গাজায় ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে ‘জাতিগত নিধন’ (Genocide) হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং তাদের জীবিকা ও অস্তিত্বের পরিবেশ ধ্বংস করেছে—যা জাতিগত নিধনের সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে যায়।

সানাম ভাকিল আরও বলেন, “গাজায় গণহত্যার চূড়ান্ত রূপ ফুটে উঠেছে ইসরাইলের কর্মকাণ্ডে। তারা এমন জীবনযাত্রা চাপিয়ে দিয়েছে, যা ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি।”

এদিকে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সোমবার (৬ অক্টোবর) ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত গাজা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়, পুতিন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইনগত কাঠামোর ভিত্তিতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে রাশিয়ার দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

অন্যদিকে, প্রায় এক সপ্তাহ পর ২৯ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে নেতানিয়াহুর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা যুদ্ধ বন্ধে ২০ দফা শান্তি প্রস্তাব ঘোষণা করেন। প্রস্তাবে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, গাজার পুনর্গঠন, এবং আটক ইসরাইলি জিম্মিদের মুক্তির বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

হামাসের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের এই উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া দেওয়া হয়, যা বিশ্বব্যাপী স্বাগত পেয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনও এই পরিকল্পনার প্রশংসা করে বলেছেন, “যেকোনো মানবিক সমাধানই গাজায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে।”

দুই বছর পরও গাজার আকাশে এখনও যুদ্ধবিমান উড়ছে, ধ্বংসস্তূপে পড়ে আছে হাজারো দেহ, এবং বিশ্ববিবেকের কাছে প্রশ্ন জাগছে—ফিলিস্তিনের এই অবরুদ্ধ ভূমিতে মানবতার মুক্তি কবে আসবে?